মেনু নির্বাচন করুন

সাওরাইল ইউনিয়নের ইতিহাস

ব্রিটিশশাসনামলের আনুমানিক ১৯৪০সালে প্রথম সাওরাইল(পাট্টা) বাজেয়াপ্ত কয়ারঅধীনেবর্তমান ২১টি গ্রাম নিয়ে সাওরাইলইউনিয়ন গঠিত হয়। ঐসময়ে ইউনিয়ন এর চেয়ারম্যান কে গ্রাম প্রেসিডেন্ট বলা হত। ১৯৫০ সালেপাকিস্তান শাসনামলে গ্রাম প্রেসিডেন্ট এর পদকে ইউনিয়ন চেয়ারম্যান পদবীঘোষণা করা হয়। ১৯৫৪ সালে প্রথম গ্রাম প্রেসিডেন্ট হন আবুল হোসেন মোল্লাসরকার।তারপর পর্যায়ক্রমে ফখরউদ্দিন  সরকার, ইয়াকুব আলী খানগ্রাম প্রেসিডেন্ট এরদায়িত্ব পালন করেন। ১৯৬৭ সালে তৎকালীন পাকিস্তান মহকুমা জুরি বোর্ড এরসদস্য আবুল হোসেন মোল্লাসরকার প্রথম ইউনিয়ন পরিষদ চেয়াম্যান মনোনীত হনএবং তিনিই মুক্তিযুদ্ধ চলাকালীন সময়ে অত্র ইউনিয়নের চেয়ারম্যান ছিলেন।১৯৭১ এ বাংলাদেশ স্বাধীন হবার পর পরবর্তী সময়ে ইয়াকুব আলী, ওয়াজেদ আলী(ভারপ্রাপ্ত), মুহাম্মাদ আলী সরকারএবং গফুর আলী(২য় বার নির্বাচিত), মোজাফ্ফর হোসেন নান্নু ইউনিয়নপরিষদ চেয়ারম্যানের দায়িত্ব পালন করেন। ১৯৮৫ সালে প্রশাসনিক কাজেরসুবিধার্থে তৎকালীন প্রশাসক পাট্টাইউনিয়ন থেকে পাট্টাগ্রাম কে পৃথক করেসাওরাইলনামে আলাদা ইউনিয়ন গঠন করা হয়। বর্তমানে ২১টি ছোট বড় গ্রামমিলিয়েই সাওরাইলইউনিয়ন পরিষদ।

সাওরাইলইউনিয়নের নাম নিয়ে দুটি জনশ্রুতি রয়েছে, পুর্বে সাওরাইলইউনিয়ন এরঅধিকাংশ গ্রামেইমুসলিমদেরআধিপত্য ছিল।আবুল হোসেন মোল্লা(জমিদার)শ্রীরিশ চন্দ্র দাসছিলেনসাওরাইলগ্রামের ধনাঢ্য ব্যক্তিদের মধ্যে অন্যতম তারাই প্রথম সাওরাইলইউনিয়ননামের প্রস্তাবকারী ছিলেন। সাওরাইল গ্রাম বড় গ্রামথাকায় নাকি সাওরাইলনামকরণ করা হয়। তবে ঐ সময়ে নৌকাই ছিল সাওরাইলইউনিয়ন একমাত্র যোগাযোগস্থাপনকারী বাহন।

তথ্যসূত্র: এলাকার গুনীজনএর বিবৃতি।